ডায়াবেটিস সম্পর্কে ধারনা :

বেশিরভাগ ডায়াবেটিস রোগীর পায়ের সমস্যায় ভোগেন।ডায়াবেটিসকে বলা হয় নীরব ঘাতক. চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে “ডায়াবেটিক ফুট” বলে। ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে শতকরা প্রায় ১০ জনেরও বেশি মানুষের পায়ের সমস্যা দেখা দেয়.

এক কথায় বলতে গেলে ডায়াবেটিস এর জন্য পায়ে যেই যেই সমস্যা হয় :

কিভাবে বুঝবেন আপনার পা ডায়াবেটিসের জটিলতায় আক্রান্ত?

তখনই বুঝবেন আপনার পা ডায়াবেটিসের জটিলতায় আক্রান্ত।

medical

কখন আপনার পা ডায়াবেটিসের জটিলতায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি?

ডায়াবেটিসের জন্য পায়ে হওয়া সমস্যাগুলির প্রতিকার সমূহ:

‘প্রতিরোধই প্রতিকারের চেয়ে উত্তম পন্থা’- এ কথা মাথায় রেখে এই সমস্যা প্রতিরোধে নিম্নলিখিত স্বাস্থ্যবিধি অনুস্মরণ করা যেতে পারে। যেমন-

ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে ব্যথা কমানোর কিছু ঘরোয়া উপায় :

ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ে ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়

বরফ : আক্রান্ত স্থানে বরফ ঘষলে পায়ের ব্যথা অনেকটা প্রশমিত হয়। এতে পা ফোলাভাবও কমে। পাঁচ থেকে ছয়টি বরফের টুকরো গুঁড়া করে নিন। একে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে আক্রান্ত স্থানে চক্রাকারভাবে ম্যাসাজ করুন। প্রতিদিন একবার এভাবে ম্যাসাজ করুন।

দারুচিনির চা : দারুচিনির চা একটি সহজ ঘরোয়া উপায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের পা ব্যথা নিরাময়ের জন্য। এক গ্লাস পানির মধ্যে এক গ্রাম দারুচিনির গুঁড়া নিন। একে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। পায়ে ব্যথা কমাতে প্রতিদিন তিনবেলা এটি খান।

লবঙ্গের তেল : লবঙ্গের তেল কেবল পা ব্যথা কমায় না, এটি রক্ত চলাচল বাড়াতেও সাহায্য করে। ব্যথার স্থানে এটি দিয়ে ম্যাসাজ করুন। ভালো ফলাফলের জন্য দিনে কয়েকবার এই ম্যাসাজ করুন।

ঠান্ডা ও গরম পানির চিকিৎসা : এটি ডায়াবেটিসের কারণে পায়ে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। গরম পানি রক্তের চলাচল ভালো করে এবং ঠান্ডা পানি প্রদাহ কমায়।

প্রথমে হালকা গরম পানিতে তিন মিনিট পা ভেজানো। এরপর আরেকটি পাত্রে রাখা ঠান্ডা পানিতে দুই মিনিট পা ভেজানো। দিনে দুই থেকে তিনবার এভাবে করুন। 

প্রয়োজনে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতো ইতোমধ্যে আক্রান্ত পায়ের জন্য বিশেষভাবে তৈরিকৃত ফুটওয়ার ব্যবহারের দ্বারা পায়ে এই জটিলতার বিস্তার ও প্রকোপ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা যেতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *